ghor-poriskar

ঘর গোছানোর দরকারি টিপস

BDcost Desk:

সবচেয়ে প্রশান্তির জায়গা হচ্ছে ঘর। একটি সাজানো পরিপাটি ঘর নিমিষেই আপনার মন ভালো করে দিতে পারে। বাড়িতে যারা থাকেন প্রত্যেকেরই দায়িত্ব থাকার জায়গাটি সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা। ঘর গোছানোর সময় খেয়াল রাখবেন যার ঘর গোছাচ্ছেন তার রুচি এবং পছন্দ সম্পর্কে। প্রতিদিন একটু একটু করে গোছানো যদি আপনার পক্ষে সম্ভব না হয় তাহলে পর পর কয়েক দিন ছুটি আছে এমন দিন বেছে নিন। কাজ ভাগ করে নিন।

সব একবারে পরিষ্কার বা গোছাতে যাবেন না। সব কিছু রাখার নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করে দিন যাতে আপনার স্বামী এবং সন্তানরা তাদের প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে সবকিছু পায়।

অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আলমারির একেবারে পেছনে রাখুন। যাতে অফিসে যাওয়ার সময় কাজের জিনিসগুলো হাতের কাছে পান। মনে রাখবেন বাইরে যান বলে ঘর গোছানোর সময় পান না এই অজুহাতটা কিন্তু ঠিক নয়।

জামাকাপড় যেখানে-সেখানে ফেলে না রেখে ওয়ারড্রবে ঢুকিয়ে রাখুন। ভাঁজ করে রাখবেন। ব্যবহারের পর যেখানকার জিনিস সেখানেই রেখে দিন। বই পড়া হয়ে গেলে বুক শেলফে সাজিয়ে রাখুন, রান্না হয়ে গেলে মশলাগুলো ক্যাবিনেটে রেখে দিন।

প্রতিটি ঘরে ছোট একটি ডাস্টবিন রাখুন। বাথরুমে রাখুন ওয়াল হ্যাঙ্গার। এর মধ্যে সব দরকারি জিনিস ভরে রাখুন। রান্না ঘরেও ব্যবহার করুন ড্রয়ার। এতে মশলার কৌটা, বাসনপত্র রাখুন। আর এ কাজগুলো নিয়মিত করলে দেখবেন আপনার ঘর সব সময়ই গোছানো লাগছে।

বাড়িতে যার যে জিনিসটার প্রয়োজন, সে সেই জিনিসটা হাতের কাছে রাখুন। নিজের ব্যবহার করা জিনিস অন্যের হাতের কাছে না রাখাই ভালো। এতে করে সবাই সবার ঘর গোছাতে সহায়ক হবে।

ঝটপট ঘর বসার ঘরটা গোছাতে সোফার কুশনগুলো সাজিয়ে ফেলুন সঙ্গে কুশন কভারগুলো বদলে দিতে পারেন। আপনার নিজের বেডরুমটিও চট করে গুছিয়ে ফেলুন। বিছানায় নতুন চাদর লাগান, বালিশের কভারগুলো বদলে দিন।

ঘর পরিষ্কার করা শেষে এয়ারফ্রেশনার স্প্রে করে দিন, ফুলদানির আগের ফুলগুলো ফেলে নতুন ফুল রেখে দিন।

বিঃ দ্রঃ রেসিপি, স্টাইল, রূপচর্চা, গৃহসজ্জা, টেকনোলজি ও ইসলামিক জীবন,ইত্যাদি। বাংলা ব্লগ রেগুলার আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেজ বিডিকষ্ট্

Tags: ,

There are no comments yet

Why not be the first

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Anti-Spam Quiz: